বিজয় মেলায় বাধা দেওয়া নিয়ে রাউজান উপজেলা বিএনপি’র বিবৃতি

গতকাল ৬ ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন কমিটির মিছিলে হামলাসহ রাউজানে সম্প্রতি ঘটিত বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী ও সদস্য সচিব আবু মোহাম্মদ নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন।

গত ২ ডিসেম্বর আমরা জেলা প্রশাসন বরাবরে রাউজান সরকারি কলেজ মাঠে বিজয় মেলা উদযাপনের অনুমতির জন্য আবেদন পত্র পেশ করলে জেলা প্রশাসক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইউএনও বরাবরে প্রেরণ করেন। পরে ইউ এন ও সাহেবের সাথে যোগাযোগ করলে ইউ এন ও সাহেব অনুমতি দেওয়ার জন্য আশ্বাস প্রদান করেন কিন্তু পরে দেখা গেল একটি বিশেষ গোষ্টি রাউজান কলেজ মাঠে প্যান্ডেল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। পরে একটি গ্রুপ রাউজান কলেজের মাঠে বিজয় মেলার উদযাপনের অনুমতি পাওয়ার ভুয়া দাবি করেন। জানা গেছে ওই গ্রুপটির এ ডি এম বরাবর একটি আবেদন জানালে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ইউ এন ও বরাবরে প্রেরণ করেন। এহেন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ইউ এন ও সাহেবের কাছে যোগাযোগ করলে তিনি কোন পক্ষকে অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে উল্লেখ করেন। এরপরও তারা রাউজান কলেজ মাঠে প্যান্ডেল নির্মাণ অব্যাহত রাখেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা গত ৬ জুলাই বিকেল তিনটায় বিজয় মেলা উদযাপনের অনুমতি দাবিতে রাউজান হাই স্কুল গেটে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করলে ৫ আগস্ট রাউজান থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটকারি মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ও পতিত আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসী একত্রিত হয়ে আমাদের সমাবেশে হামলা করলে জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এইচ এম নুরুল হুদা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রহিম উদ্দিন ওয়াসিম, ছাত্র নেতা রিদোয়ান, মোঃ রাকিব, আব্দুস সালাম, মোঃ শাকিল ও মোহাম্মদ আলমগীর সহ অনেকে আহত হন। এরপরও আমাদের নির্ধারিত কর্মসূচি বিক্ষোভ ও মিছিলের কর্মসূচি পালন করি। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য ইউ এন ও সাহেব বারবার কোন পক্ষকে অনুমোদন দিবে না এবং ১৪৪ ধারা জারি করার কথা উল্লেখ করায় আমরা বিজয় মেলার অবকাঠামো নির্মাণ থেকে বিরত থাকি।এই সুযোগে অপর পক্ষ অবকাঠামো নির্মাণ করে।নেতৃবৃন্দ বলেন ইউ এন ও এবং ওসি পক্ষপাতমূলক ভূমিকা পালন করেছেন ।তারা প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।