রায়পুর থানা পুলিশ, লক্ষ্মীপুর গত ১৮/০৮/২০২২ খ্রি: তারিখ আনুমানিক ১৪১৫ ঘটিকায় রায়পুর থানাধীন ১০ নং রায়পুর ইউপির ১ নং ওয়ার্ডস্থ চরপলোয়ান গ্রামের গনি মিয়ার মালিকানাধীন সুপারি বাগানে ২-৩ দিন পূর্বের অর্ধগলিত চেহারার একটি অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশ উদ্ধার করে।
মান্যবর পুলিশ সুপার, লক্ষ্মীপুর মহোদয় এর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী, রায়পুর সার্কেল এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রায়পুর থানা, লক্ষ্মীপুরের একটি চৌকস অভিযানিক দল অতি অল্প সময়ের মধ্যে অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় সনাক্তপূর্বক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন এবং উক্ত ঘটনার মূল হোতা মোঃ সোহাগ হোসেন (২৭)কে ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইলসহ চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী মো: সোহাগ হোসেন (২৭) ফৌ:কা:বি: ১৬৪ ধারায় উক্ত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে অদ্য ২০/০৮/২০২২ খ্রি: তারিখে জনাব কামাল হোসেন, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, লক্ষ্মীপুরের নিকট স্বীকারক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
ভিকটিমের পরিচয়-লায়লা নুর মজুমদার (২৪), পিতা: আবুল কাশেম মজুমদার, নালঘর, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা।
পারিবারিক জীবনে ভিকটিম লায়লা বেগম বিবাহিত। গত ১৬/০৮/২০২২ খ্রি: তারিখ সে পিতার বাড়ি চৌদ্দগ্রাম থেকে নিখোঁজ হয়।
আসামী সোহাগ হোসেনের বর্ণনা মতে প্রেমের টানে আসামী সোহাগের সাথে ভিকটিম লায়লা বাড়ি থেকে বের হয়। আসামী সোহাগের বন্ধু রফিকের প্রলোভনে আসামী সোহাগ লায়লাকে রফিকের মামার বাড়ি রায়পুর, লক্ষ্মীপুরে নিয়ে আসে। রফিকের মামার বাড়িতে আসামী সোহাগ ভিকটিম লায়লার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করলে রফিকের মামী তাদের ঘর বের করে দেয়। মামীর বাড়ি থেকে ফেরত আসার সময় রফিক সুপারি বাগানের ভিতর দিয়ে তাদেরকে নিয়ে আসার পথিমধ্যে সোহাগ ও রফিক মিলে ভিকটিম লায়লাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের সহযোগী রফিক হত্যাকাণ্ডের পরে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে।
আসামী সোহাগ হোসেনের বর্ণনা মতে হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয় গত ১৬ আগস্ট, ২০২২ খ্রি: তারিখ রাত ০৮:০০ টায়।
অপর আসামী রফিক বর্তমানে পলাতক রয়েছে। রায়পুর থানা পুলিশ কর্তৃক আসামী রফিককেও গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
সূত্র: রায়পুর থানা