মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতৃত্বে জামাল-সাবিহা

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের টিএসসিতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৫২ জন সদস্যের উপস্থিতিতে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মঞ্চের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিকে তিন বছর মেয়াদে অনুমোদন দেয়া হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীনকে মুখপাত্র/সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধার রক্তের উত্তরাধিকার ঢাবির জনপ্রিয় প্রথাবিরোধী ছাত্রনেতা অগ্নিকন্যা সাবিহা মাহফুজ নীলাকে সাধারন সম্পাদক করে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদিত দেয়া হয়।এছাড়াও সভায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের গঠনতন্ত্র অনুমোদন, সাধারণ সম্পাদক মনোনয়ন, পূর্নাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠন, রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের অনুমোদনসহ অন্যান্য অনেক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

৭১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি দশ জন, যুগ্ম সম্পাদক পাঁচ জন, কোষাধক্ষ্য একজন ও ৩৮ জনকে সম্পাদক মন্ডলীতে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক, আইন সম্পাদক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, আন্তর্জাতিক সম্পাদক, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, ভাষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং প্রত্যেকটি মূল পদবীর সঙ্গেএকজন কের উপসম্পাদক পদবী প্রদান করা হয়।
কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারনে গঠনতন্ত্র মোতাবেক জাতীয় কাউন্সিল করা সম্ভব হয়নি জানিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্ম প্রকাশের বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি বলেন, আমাদের জন্ম হয়েছিলো নুরদের নেতৃত্বে যে স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের উত্থান হয়েছিলো, তাদের মোকাবেলা করার জন্য। এখন তারা যদি রাজনৈতিক দল করার সুযোগ পায়, তাহলে আমরা করতে পারবো না কেন?
তাছাড়া রাজনৈতিক দল করলে তা আওয়ামী লীগের বিরোধী হতে হবে কেন? সেক্ষেত্রে আমরা তাদের সাথে জোট বা এলায়েন্স করবো, বা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবেও আমরা কাজ করতে পারি। অর্থাৎ এদেশে বিএনপি জামাতের নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *