শেখ হাসিনার মাঝে মাদার তেরেসার প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই – ড. জামাল উদ্দীন

মাসিক মানবজীবন ও ইউনিটি ফর ইয়াং জার্নালিস্ট এর উদ্যোগে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে নোবেল বিজয়ী মাদার তেরেসার জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা ও মাদার তেরেসা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

সংগঠনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিম, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথিরা হলেন- ঢাবির অধ্যাপক ড. হামিদা খানম, চবির অধ্যাপক জিনবোধি বিক্ষু, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধ্যাপক কামুধা প্রসাদ সাহা, বাংলা টিভির পরিচালক শামস শান্তনু, নারী উদ্যোক্তা নাজনীন সুলতানা লুনা, আমার মা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জি এম কামরুল হাসান প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব ইমদাদুল হক তৈয়ব ও শাহরিয়ার স্বপন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন মানব জীবনের সাব এডিটর রাবেয়া সুলতানা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম বলেন, মনীষীদের জীবন ও কর্মের আলোচনার মধ্য দিয়ে একটি আদর্শ জীবন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পায়। মাদার তেরেসা এমন একজন মনীষী ছিলেন যিনি মানবদরদী, মানব হিতৈষী ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন আমাদের মাঝে। তার জীবন ও আদর্শ থেকে আমাদের শিক্ষণীয় অনেক কিছু রয়েছে। তাই তার জীবন ও কর্ম আমাদের কে আরো বেশি করে অধ্যায়ন করে নিজেদেরকে উদার ও মানব প্রেমী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

মাদার তেরেসা ছিলেন মানবতার এক মুর্ত প্রতীক উল্লেখ করে অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক আ ক ম জামাল উদ্দীন বলেন, মানবতার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন মাদার তেরেসা, তাঁর জীবন ও আদর্শ থেকে আমরা অনেক কিছু শিক্ষা নিতে পারি।

যে শিক্ষা নিয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন জননেত্রী, জনদরদী, মানব দরদী আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার মধ্যে আমরা মাদার তেরেসারির প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করছি এবং মানবতার দূত মাদার তেরেসার জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

 

অন্যান্য বক্তরা বলেন, মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন মাদার তেরেসা। তার জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সবাইকে ব্যক্তিজীবন ও প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাহলেই আমরা একটি সুন্দর দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে পারবো।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *