৪ ঘন্টার লোড শেডিংয়ে ৫টাকার মোমবাতি ১০ টাকা

ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে বিদুৎবিভ্রাট শুরু হওয়ার পর বিপর্যয় কাটিয়ে রাত ৮টার ভিতর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

ফিরতে শুরু করেছে বিদ্যুৎ। ঢাকার প্রায় সব যায়গায় বিদ্যুৎ আসছে।  এরই মধ্যে ঘোড়াশাল, টঙ্গীসহ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়েছে।

তবে সব যায়গাগ স্বাভাবিক হতে আরো সময় লাগতে পারে, তারই ফায়দা নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা দেখা গেছে স্বাভাবিক দামের চেয়ে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়েছে মোমবাতি। ৫টাকার মোমবাতি বিক্রি হয়েছে ১০টাকায়, ১০টাকার মোমবাতি বিক্রি হয়েছে ২০টাকায়। আবার কোথাও কোথাও ৩০টাকায় ও বিক্রি হয়েছে একপিস মোমবাতি।

এদিকে বিদ্যুৎহীন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। বন্ধ হয়ে যায় শিল্প-কারখানার চাকা। সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েন হাসপাতালের রোগীরা।
নাসির আল মামুন নামে এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেন বর্তমানে ঢাকা শহরে  মোমবাতি হলো সোনার হরিণ। সোনার হরিণ কিনতে গেছিলাম। আমি ব্যর্থ সোনার হরিণ ক্রেতা।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগতে পারে আরও কয়েক ঘণ্টা। আর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংযোগ দেয়া হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ আর জরুরি স্থাপনায়।
মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে ইস্টার্ন গ্রিড ফেল করার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।

এদিকে সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক বিশেষ ঘোষণায় এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৪ সালের পয়লা নভেম্বর পুরো দেশ অন্ধকারে ঢেকে যায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে। যা স্বাভাবিক হতে সময় লাগে ১২ ঘণ্টার বেশি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *